
ধনবাড়ি প্রতিনিধি: গ্রাম আদালত কার্যক্রমের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনকারী মুশুদ্দি ইউনিয়নকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন ধনবাড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরজাহান আক্তার সাথী। মুশুদ্দি ইউনিয়নের গ্রাম আদালত চেয়ারম্যান জনাব মোঃ বাবলু আহমেদ প্রামাণিক এ স্মারক গ্রহণ করেন।
বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, সহযোগিতায়- ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাংলাদেশ সরকার। এছাড়া, বাস্তবায়নে সহযোগী সংস্থা হিসাবে আছেন ইকো-সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)।
এ ধারাবাহিকতায় ১৪ মে, বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার ৭ টি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা/ হিসাব সরকারি কাম কম্পিউটার অপারেটরদের উপজেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক ত্রৈমাসিক মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদের হলরুমে উক্ত ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভার সভাপতিত্ব করেন ধনবাড়ী উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাব নূরজাহান আক্তার সাথী। তিনি উক্ত সভায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনকারী মুশুদ্দি ইউনিয়নকে স্মারক প্রদান করেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুশুদ্দি ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত গ্রাম আদালত চেয়ারম্যান মোঃ বাবলু আহমেদ প্রামানিক, এভিসিবি- প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ আব্দুল লতিফ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের গ্রাম আদালত কার্যক্রমের ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। যা অল্প সময়ে স্বল্প খরচে নিষ্পত্তি হয়। গ্রাম আদালতে দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে ২০ টাকা ও ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে ১০ টাকা ফিস গ্রহণ করা হয়। এখানে ৩,০০০০০/- টাকার মূল্যমানের দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা গ্রাম আদালত আইন ২০২৪ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ফৌজদারি মামলা যেমন- চুরি,মারামারি, ঝগড়া বিবাদ, প্রতারণা, দাঙ্গা, ভয়-ভীতি প্রদর্শন, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা। দেওয়ানী মামলা যেমন- পাওনা টাকা আদায়, স্থাবর সম্পতি পুনরুদ্ধার, স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, গবাদি পশু অনাধিকার প্রবেশে কারণে ক্ষতি সংক্রান্ত, স্ত্রী কর্তৃক বকেয়া ভরণপোষণ আদায়।
