
নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলে মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিস লিমিটেড-এর বিরুদ্ধে ভাড়াচুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে ভবন দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ তুলেছেন ভবনের মালিক ডা. শাহ আলম।
শুক্রবার, ১০ জুলাই দুপুরে শহরের শামসুদ্দোহা-রেজিয়া ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এসব অভিযোগ করেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মেডিনোভার জেলা শাখার ম্যানেজার জানিয়েছেন, তারা কোনো চুক্তি ভঙ্গ করেননি।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেসের ২০ বছরের ভাড়াচুক্তির মাধ্যমে ভাড়া দেয়া হয়। প্রায় ১০ বছর অতিবাহিত পর কয়েক বছরে ভাড়াচুক্তির শর্ত বাস্তবায়ন নিয়ে মধ্যে গুরুতর মতপার্থক্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পূর্ব লিখিত অনুমতি ব্যতিত ভবনের বিভিন্ন অংশে স্থায়ী কাঠামোগত পরিবর্তন করা হয়েছে। ৪ বছর পূর্বে ভবনের প্রধান সিঁড়ির প্রবেশপথ স্থায়ী ইটের দেয়াল নির্মাণ করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভাড়াচুক্তি ৬ষ্ঠ তলা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলার সংযোগস্থলে স্থায়ী দেয়াল নির্মাণ করে প্যাসেজ ও সিঁড়ির পথ বন্ধ করা হয়েছে।
ডা. শাহ আলম আরও অভিযোগ করেন, প্রায় এক বছর আগে ভবনের জরুরি অগ্নিনির্গমন পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিদেশে অবস্থানের সময় নির্ধারিত জায়গা থেকে ফার্মেসি সরিয়ে কমন স্পেসে স্থাপন করা হয়েছে। এতে রোগী, স্বজন, দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এক পর্যায়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের দিয়ে আমাকে হয়রানির চেষ্টা করছে। বিষয়গুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য একাধিকবার লিখিতভাবে এবং মোবাইল ফোনে আলোচনার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু এক দলের রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে ভবন দখলের পায়তারার চেষ্টা করা করছে। সব শেষ মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসের ম্যানেজিং চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
তবে অভিযোগটি অস্বীকার করে মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিস লিমিটেডের টাঙ্গাইল জেলা শাখার ম্যানেজার গোলাম হায়দার আলী জানান, ভবন মালিকের অভিযোগগুলো মিথ্যা। ভবনে যা করা হয়েছে, চুক্তিপত্র অনুযায়ী করা হয়েছে। ভাড়ার চুক্তিপত্রে কোনো নির্দিষ্ট প্ল্যানিং উল্লেখ ছিল না। তাঁদের জানামতে, কোনো চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করা হয়নি।
