টাঙ্গাইলে এইচএসসি পরীক্ষায় ৬ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

অপরাধ টাঙ্গাইল সদর দুর্ঘটনা প্রতিষ্ঠান শিক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে টাঙ্গাইলে ৬টি কলেজ-মাদরাসার একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এর মধ্যে দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ জন করে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেও পাস করেনি।

 

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ফলাফল প্রকাশের পর রাতে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষকদের অবহেলা এবং নিয়মিত ক্লাশ না হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হয়েছে।

 

শতভাগ ফেল করা কলেজগুলো হলো- গোপালপুরের খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমী, শিমলা পাবলিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গোপালপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সখীপুরের সূর্য তরুণ শিক্ষাঙ্গণ আবাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নাগরপুরের ইসলামাবাদ দারুস সুন্নাহ আলিম মাদরাসা এবং ভূঞাপুর অলোয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, গোপালপুরের খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমী থেকে ৭ জন শিক্ষার্থী, শিমলা পাবলিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১ জন শিক্ষার্থী, গোপালপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৫ জন শিক্ষার্থী, সূর্য তরুণ শিক্ষাঙ্গণ আবাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪ জন, ইসলামাবাদ দারুস সুন্নাহ আলিম মাদরাসা থেকে ৭ জন এবং অলোয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

জেলা শিক্ষা অফিস জানায়, জেলায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫০.৩২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৩৬৬ জন। ২৯ হাজার ৮৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ হাজার ১৬ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এর মধ্যে এইচএসসি ৪৯.৬২ শতাংশ, আলিমে পাশের হার ৫৬.২৯ শতাংশ, এইচএসসি (বিএম) ৫৫.৭৩ শতাংশ এবং এইচএসসি (ভোক) ৪৯.৬৫ শতাংশ।

এ ব্যাপারে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির জেলা শাখার একাংশের সভাপতি আব্দুল কাদের বলেন, এর দায় শিক্ষকদের নিতে হবে। কারণ শিক্ষকদের দায় এড়ানো কোন সুযোগ নেই। এছাড়া সরকারের আরও মনিটরিং বাড়াতে হবে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা বলেন, ওই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আমরা ডাকবো এবং কারণ দশানো নোটিশ দেবো। লিখিত পাওয়ার পর প্রচলিত বিধি অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *