
মির্জাপুর প্রতিনিধি: সরকার দেশের সব রাষ্ট্রায়ত্ত সব বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। তিনি বলেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে মির্জাপুরের ঐতিহ্যবাহী এই বন্ধ কারখানাটি চালু করা হবে। টাঙ্গাইল কটন মিলও কোন প্রক্রিয়ায় চালু করা যায় তা খতিয়ে দেখছে।
শনিবার, ১ আগস্ট সকালে মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চলে দীর্ঘ ২৯ বছর যাবৎ বন্ধ থাকা টাঙ্গাইল কটন মিল কারখানা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বন্ধ থাকা সব প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় এমপির সহযোগিতায় আরো আধুনিকায়ন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী ইশতেহারে বন্ধ মিল কারখানা চালুর কথা বলা হয়েছিল। জনগণ আমাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশে বন্ধ কারখানা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) বা দেশি-বিদেশি যে প্রক্রিয়ায় হোক এসব কারখানা আবার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করেছে। বিশেষ করে সোলারের বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যাতে দেশের ব্যবসায়ীরা এবং শিল্পপতিরা ইন্ডাস্ট্রিগুলো ঠিকমত চালাতে পারেন।
সকালে প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইল কটন মিলে পৌঁছালে সেখানে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।
এ সময় সেখানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ, বিটিএমসির সচিব ও পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর প্রকল্প পরিচালক কাজী ফিরোজ হোসাইন, টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের চেয়ারম্যান ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব, মির্জাপুর থানার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আরিফ, সহসভাপতি আলী এজাজ খান চৌধুরী রুবেল, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুল কাদের শিকদার, উপজেলা বিএনপির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন, গোড়াই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান জুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান স্বপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
