টাঙ্গাইলে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

অপরাধ আইন আদালত টাঙ্গাইল সদর মিডিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলে প্রভাবশালী ব্যক্তির হাত থেকে জবরদখলকৃত ভূমি উদ্ধারে সংবাদ সম্মেলন করলেন ভূক্তভোগী ব্রেন স্টোক করে প্যারালাইসড হওয়া মোঃ নুরুল ইসলাম নুরুর স্ত্রী মিনা আক্তার।

শনিবার, ২০ জুন সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মীরের বেতকা এলাকার মিনা আক্তার জানান, বিশ্বাস বেতকার মধ্যে ৬৫ শতাংশ ভূমি এস. এ মালিক বীরেন্দ্রনাথ চৌধুরী মারা গেলে তার ছেলে কল্যাণ সংকর চৌধুরী নিকট হতে ত্যাক্ত সম্পত্তির ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। সেখানে একখানা টিনের ছাপড়া ঘর তৈরী করে তার হোল্ডিং নাম্বারসহ পৌর কর এবং বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসা অবস্থায় বি.এস. রেকর্ডে আগত হলে ১৪২৩ নং খতিয়ান রূপে খাজনা পরিশোধ করেন। এমতাবস্থায় ৫৫ শতাংশ ভূমির অন্য ক্রেতা সোহরাব হোসেন ১৯৯৭-১৯৯৮ সনে কথিত দলিল মূলে ৪৩ শতাংশ ভূমি দাবী করে তার স্বামী নরুল ইসলাম নুরুকে মারধর করে উচ্ছেদ করে তার ১০ শতাংশ ভূমি জবরদখল করেন এবং ওই জমিটি দখল করার জন্য মো. নুরুল ইসলাম নুরুর দলিলটি জাল প্রমাণ করার জন্য এবং তা বাতিলে জন্য মামলা করেন। যা দীর্ঘ ৯ বৎসর চলার পর নুরুল ইসলাম নুরুর দলিল বৈধ হিসেবে রায় পান।

তারপরও এই রায়কে পাত্তা না দিয়ে সোহরাব হোসেন ১০ শতাংশ জমি দখলের জন্য উক্ত ভূমিতে কোন প্রকার আলাপ আলোচনা ছাড়াই বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য প্যাড়াডাইস নিবাস কর্তৃপক্ষের সাথে চুক্তিপূর্বক অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ শুরু করেছেন, যা অন্যায় ও অনৈতিক। তার স্বামী নুরুল ইসলাম নুরু দীর্ঘদিন যাবত একজন প্যারালাইড রুগী। তার সুচিকিৎসা বা ঔষধ ক্রয়ের মত আর্থিক সামর্থ নাই। এ অবস্থায় তিনি জনগনের সেবক সাংবাদিকদের দারস্থ হয়েছেন।

তিনি জানান, ১১৪/২০১৭ অন্য প্রকার মামলায় আদালত ২৯/১০/২০২৫ তারিখে আদেশে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন একই ভূমি নিয়ে একাধিক দলিল থাকিলে পূর্বের দলিলটি প্রাধাণ্য পাবে। তিনি আরো জানান, সোহরাব হোসেন একজন চতুর ও প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ভীত ও শংকিত। কারন যে কোন সময় তারা তাদের ক্ষতি করতে পারে। তিনি প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা চান তার জমিটি যেন বেদখল না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *