
নিজস্ব প্রতিবেদক: মির্জাপুর উপজেলার প্রবাসী স্বামীর ৩৭ লাখ টাকা আত্মসাত করে প্রতারণার মাধ্যমে নিজের স্বামীকে তালাক দেয়ার অভিযোগ উঠেছে হালিমা বেগমের বিরুদ্ধে। একই সাথে নিজের সন্তানদের পিতার পরিচয় অস্বীকার করছে হালিমা বেগম। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভূক্তভোগী মোঃ ফারুক এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
বুধবার, ৩ জুন দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন মো. ফারুক।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৯৯ সালে মির্জাপুর উপজেলার তেলিনা গ্রামের ওয়াহেদ আলী দেওয়ানের মেয়ে হালিমা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। পরবর্তীতে আমি ২০০৬ সালে নিজের আর্থিক অবস্থা ঠিক করতে সৌদি আরবে যাই। পরে আমি কাতার ও দুবাই যাই। কয়েক দফায় দেশে আসলে আমার স্ত্রী দুই সন্তানের জননী হয়। আমি বিদেশে কর্মরত থাকাবস্থায় আমার স্ত্রী হালিমা বেগমের কাছে বিভিন্ন সময়ে ৩৭ লাখ টাকা পাঠাই। ২০২৩ সালে আমার স্ত্রী হালিমা বেগম শাহিনুরসহ একাধিক ব্যক্তির সহযোগিতায় একতরফাভাবে আমাকে তালাক প্রদান করে ও আমার সঙ্গে সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এরপর আমি দেশে ফেরত আসলে আমাকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দেয়।
তিনি আরো বলেন, পরবর্তীদের সন্তানদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারি আমার দুই সন্তানের জন্ম নিবন্ধনে পিতার নামের জায়গায় আমার নাম পরিবর্তন করে শাহিনুরের নাম জালিয়াতির মাধ্যমে অন্তর্ভূক্ত করে। প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। পরবর্তীতে মির্জাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেও কোন সাড়া পাইনি। আমি ঘটনার সঠিক বিচার ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত পিতা নির্ধারণ এবং টাকা ফেরতের দাবি করছি। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবি করছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হালিমা বেগমের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে মোঃ ফারুকের নিকটতম অত্মীয়-স্বজনসহ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
