
নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আ ন ম ইলিয়াসের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জিয়াউল হক শাহীনকে আটক করা হয়। তবে আটকের প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর নিজের ভুল স্বীকার করে লিখিত মুচলেকা দেওয়ার প্রেক্ষিতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার, ৬ এপ্রিল বিকেলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে এই ঘটনা ঘটে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বিকেলে জিয়াউল হক শাহীন সখীপুরের কুতুবপুরের একটি মামলার বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ আ ন ম ইলিয়াসের সঙ্গে কথা বলতে যান।
বিচারকের পিএ বিষয় জানতে চাইলে জিয়াউল হক শাহীন সরাসরি জজের সঙ্গে কথা বলতে চান এবং এক পর্যায়ে প্রভাব খাটাতে চান। পরে জোর করে তিনি জজের খাস কামরায় প্রবেশ করে তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। তখন পুলিশ ডেকে জিয়াউল হক শাহীনকে আটকের নির্দেশ দেন বিচারক।
পুলিশ আটকের পর শহর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহীন আকন্দসহ দলীয় নেতারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এক পর্যায়ে জিয়াউল হক শাহীন জেলা ও দায়রা জজের কাছে নিজের ভুল স্বীকার করলে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
জিয়াউল হক শাহীন বলেন, আমি ভেবেছিলাম তিনি সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট। জেলা জজ জানলে আমি তার কাছে যেতাম না। আমার ভুল হয়েছে।
টাঙ্গাইল আদালত পরিদর্শক মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, জিয়াউল হক শাহীন লিখিতভাবে মুচলেকা দেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
