
নিজস্ব প্রতিনিধি: ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে চলন্ত বাসে এক কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় টাঙ্গাইল থেকে বাসের চালকসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের করটিয়া আন্ডারপাস এলাকা থেকে বাসের চালক, হেলপারসহ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন বাসের চালক মোঃ আলতাফ (২৫), সহকারী মোঃ সাগর (২৪) ও চালকের সহযোগী মোঃ রাব্বি (২১)। আলতাফের বাড়ি দিনাজপুর, সাগরের বাড়ি ফরিদপুর এবং রাব্বির বাড়ি হবিগঞ্জে বলে জানা গেছে।
মধুপুর-এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার এসআই মাহবুবুর রহমান জানান, মহাড়কে ডিউটি করার সময় তারা করটিয়ার একটি হোটেলে নাস্তা করছিলেন। বাসের মেয়ে এবং চালক-হেলপাররাও সেখানে নাস্তা করছিল। পুলিশ দেখে চালক-হেলপাররা মেয়েটাকে কৌশলে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। হঠাৎ এক ব্যক্তি বাসের ওখানে ছিনতাই হচ্ছে বলে শব্দ করে স্থান ত্যাগ করে। তখন পুলিশের সন্দেহ হলে তারা বাসের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটা কান্না করে ঘটনা খুলে বলে। পরে তাদের তিনজনকে আটক এবং মেয়েটাকে উদ্ধার করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।
এ ব্যাপারে মধুপুর-এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরীফ জানান, বুধবার, ১৪ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজে দর্শন বিভাগের জনৈক ছাত্রী (২৬) ঢাকার রেডিওকলোনি থেকে আশুলিয়া যাওয়ার জন্য সাভার পরিবহনের চন্দ্রা টু ঢাকার গাড়িতে ওঠেন। বাসে তখন দুইজন যাত্রী ছিলেন। পরে যাত্রীরা নামার পর ওই কলেজছাত্রীকে জোর করে আটকে রেখে চালক-হেলপার ও হেলপারের সহযোগী সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার, টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। এরপর বাসটি বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করে ওই তরুণীকে রাতভর সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণসহ ও সে দৃশ্য ভিডিও ধারণ করে।
পরে মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের করটিয়া আন্ডারপাস এলাকায় মহাসড়কের ওপর বাসটি সন্দেহজনক অবস্থায় দাঁড় করালে হাইওয়ে পুলিশ বাসটিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা জানতে পারে।
