সখীপুর প্রতিনিধি: টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, ইসির (নির্বাচন কমিশন) ভেতরে যে ভূত লুকিয়ে আছে, এটা কিন্তু আমরাও জানতাম না, সারা জাতিও জানত না, আমরা অবিলম্বে ওই ষড়যন্ত্রকারীদের অপসারণ চাই।
সোমবার, ১৯ জানুয়ারি সখীপুর উপজেলার বোয়ালী লাঙ্গুলিয়া শোলাপ্রতিমা চাষি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ দাবি করেন।
অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, প্রবাসীদের ভোটের জন্য বিদেশে যখন ব্যালট পাঠানো হলো, সেই ব্যালটে দেখা গেল- একটি ছোট রাজনৈতিক দলের প্রতীক সবার ওপরে। বিএনপির প্রতীকটি ব্যালটের মাঝখানে এমন একটি অনুল্লেখযোগ্য জায়গায়, যেখানে সিল দিয়ে ভাঁজ করলে সিলের কালিতে ওই ভোটটি বা ব্যালটটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অথচ অ্যালফাবেটিক্যালি বিএনপির ‘‘বি’’ অনুযায়ী প্রতীকটি এক নম্বরে থাকার কথা। যেহেতু আওয়ামী লীগের ‘‘এ’’ নাই। অথচ আমরা যেটা দেখলাম, সেটা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে অবিলম্বে ওই ষড়যন্ত্রকারীদের অপসারণ চাই।
অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান আরো বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছিলেন যে, একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। আমরা ওই রকম নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন চাই। নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে ষড়যন্ত্রকারীরা বসে আছে, তাদের অবিলম্বে অপসারণ চাই। ষড়যন্ত্রকারীদের অপসারণ না করলে আমরা শঙ্কিত যে, সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে কি না। কারণ, ওই ষড়যন্ত্রকারীরা জনগণের ভোটকে অন্য জায়গায় প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। যেটা আমরা ব্যালট পেপারেই দেখতে পেয়েছি।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ওই ষড়যন্ত্রকারীরা যেন মনে করে না তারা শক্তিশালী। মনে করতে হবে, জনগণ শক্তিশালী, ভোটারেরা শক্তিশালী। ষড়যন্ত্রকারী যত শক্তিশালী হোক, ভোটার ও জাতির কাছে তারা শক্তিশালী নয়।
মোঃ শামসুল হক মাস্টারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শিকদার মুহাম্মদ সবুর রেজা, সহসভাপতি মোঃ আকবর হোসেন, ফরিদ হোসেন প্রমুখ। এ সময় উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।